ইন্টারন্যাশনাল টেলেন্ট টেন ক্রিকেট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া এর বাংলাদেশী কর্মকর্তা হলেন ঝিনাইদহ জেলার সৈকত।

সাজেদ আল হাসান (ঝিনাইদহ প্রতিনিধি) টেলেন্ট টেন ক্রিকেট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া চেয়ারম্যান-মহেশ জি সাহার সাথে প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে,ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৪ নং ঘোড়শাল ইউনিয়নের ঘোড়শাল গ্রামের সন্তান মোঃ সৈকত হোসেন (২৪) বাংলাদেশী মূল এজেন্ট হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হলেন। সৈকত দীর্ঘদিন বাল্যকাল থেকেই ক্রিকেট পাগল,ভালো ভালো কম্পিটিশনেও অংশ গ্রহণ করছেন! তারপর সিদ্ধান্ত নেন ক্রিকেট কোচিং করানোর। তিনি মিনা স্মৃতি ক্রিকেট ক্লাব নামে একটি ক্লাব পরিচালনা করেন।তারপর টেলেন্ট টেন ক্রিকেট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া এই অফার...

 সাজেদ আল হাসান (রেডিও ঝিনুক প্রতিনিধি)

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া জয়নুল আবেদিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রস্তূতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় নারিকেল বাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ১৪ নং ঘোড়শাল...

শনিবার, জানুয়ারী 13, 2018 - 20:21

রেডিও ঝিনুক : বকেয়া ২০ কোটি টাকা পাওনার দাবিতে ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের আখচাষিরা...

রবিবার, ডিসেম্বর 4, 2016 - 10:02

রেডিও ঝিনুক : প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও বয়স্ক সব নাগরিককে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনতে জীবনচক্রভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গতকাল...

রবিবার, ডিসেম্বর 4, 2016 - 09:53

রেডিও ঝিনুক ;
রেডিও ঝিনুকের আবারো গৌরবময় সাফল্য । আন্তর্জাতিক শিশু সংস্থা ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর আয়োজনে মিনা মিডিয়া এয়ার্ড ০৯/০৯/১৬ এর জাতীয় শিশু সাংবাদিকের প্রথম ও দ্বিতীয় সেরা শিশু সাংবাদিক হলো রেডিও ঝিনুকের ২ কর্মী প্রথম সেরা হয়েছেন মোঃ সাজেদ আল হাসান এবং দ্বিতীয় হয়েছেন তাজমিন রশিদ তাজ...

সোমবার, অক্টোবর 31, 2016 - 16:26

বৃদ্ধ নানা শান্তিসরণ সুস্থ থাকলে স্কুলে যাওয়া হয় প্রীতিলতার; তা না হলে স্কুলে যেতে পারে না। কারণ, প্রীতিলতা শারীরিক প্রতিবন্ধী। আর হুইলচেয়ার কেনার সামর্থ্যও নেই তার...

বৃহস্পতিবার, জুলাই 21, 2016 - 09:55
নানার সাইকেলের চাকা না ঘুরলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ প্রীতিলতার
বৃদ্ধ নানা শান্তিসরণ সুস্থ থাকলে স্কুলে যাওয়া হয় প্রীতিলতার; তা না হলে স্কুলে যেতে পারে না। কারণ, প্রীতিলতা শারীরিক প্রতিবন্ধী। আর হুইলচেয়ার কেনার সামর্থ্যও নেই তার পরিবারের। প্রীতিলতা সাহা (১১) যশোর সদর উপজেলার বারীনগর গ্রামের মৃত প্রশান্ত সাহার মেয়ে। বর্তমানে থাকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মস্তবাপুর গ্রামে, নানাবাড়িতে। জন্ম থেকেই প্রীতিলতার দুটি পা বাঁকানো। পায়ে ভর করে চলতে পারে না সে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নানাবাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে মস্তবাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে প্রীতিলতা। নানা শান্তিসরণ তাঁর সাইকেলে করে প্রীতিলতাকে বিদ্যালয়ে আনা-নেওয়া করেন। শান্তিসরণের বয়স ৭২ বছর। এই বয়সে মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তখন আর বিদ্যালয়ে যাওয়া হয় না প্রীতিলতার। এভাবেই চলছে তার পড়ালেখা। শান্তিসরণ বলেন, ১৯৯৫ সালে মেয়ে সুজাতাকে বিয়ে দেন। সুজাতা-প্রশান্ত দম্পতির দুটি মেয়েসন্তানের জন্ম হয়। প্রশান্ত তিন বছর আগে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর সুজাতা দুই মেয়ে প্রিয়াঙ্কা সাহা ও প্রীতিলতাকে নিয়ে তাঁর (শান্তিসরণ) বাড়িতে ওঠেন। উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর এখান থেকেই বড় মেয়ে প্রিয়াঙ্কার বিয়ে হয়েছে। ছোট মেয়ে প্রীতিলতা জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। শান্তিসরণ বলেন, চার শতক জমির ওপর বাড়ি তাঁর। চাষাবাদের কোনো জমি নেই। পরিবারের অভাব-অনটন দেখে সুজাতা পোশাক কারখানায় কাজ করতে ঢাকায় চলে যান। প্রীতিলতাকে রেখে যান তাঁর বাড়িতে। মামা মনোজ সাহা বলেন, প্রীতির বাঁকানো পা সোজা করতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুবার অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। প্রতিবন্ধী হলেও পড়ালেখার প্রতি খুব আগ্রহ প্রীতিলতার। তাই অন্যের সহযোগিতা নিয়ে স্কুলে যাওয়া শুরু করে সে। পঞ্চম শ্রেণিতে জিপিএ-৪ দশমিক ৪৬ পেয়েছে প্রীতিলতা। তার খুব ইচ্ছা, একটি হুইলচেয়ার হলে নিজেই তা চালিয়ে স্কুলে যেতে পারত। নানাকে কয়েক দফা বলেছেও। কিন্তু দরিদ্র শান্তিসরণের পক্ষে তা কিনে দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই কষ্ট হলেও তিনি সাইকেলে করে প্রীতিলতাকে স্কুলে পৌঁছে দেন। প্রীতিলতা প্রথম আলোকে বলে, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে পড়ালেখা তাকে শিখতেই হবে। পড়ালেখা করেই তাকে একটা কিছু করতে হবে। কারণ, সারা জীবন সে অন্যের বোঝা হয়ে থাকতে চায় না। বৃহস্পতিবার, জুলাই 21, 2016 - 09:55
ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর আনন্দ গোপালগাঙ্গুলীর নিহত হওয়ার ঘটনাউম্মোচন।
রেডিও ঝিনুক :  গত ০৭/০৬/১৬ইং তারিখে নলডাঙ্গা,করাতিপাড়া গ্রামের প্রোহিত আনন্দ গোপালগাঙ্গুলী অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের আঘাতে নির্মম ভাবে নিহত হন। ঝিনাইদহপুলিশ এই ঘটনায় সন্দেহ জনক ভাবে গত সোমবার গভীর রাতে ঢাকা গাবতলীবাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আটক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৭ নং নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পুঠিয়া আড়মুখ গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে এনামুল হক জোরদ্দার (২৪) কে। এনামুল আত্মগোপনে ছিলেন। তারপর তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়েআসে জামাত শিবিরের সারা দেশ ব্যাপী মানুষ হত্যার গোপন রহস্য। মঙ্গল বারবিকালে এনামুল হক ঝিনাইদহের অতিরিক্তি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটফাহমিদা জাহাঙ্গীর এর আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেয়। জানা যায়যে এনামুল হক ঝিনাইদহ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের শিবিরের সাধারণ সম্পাদক। ২ নং ওয়ার্ড হল ঝিনাইদহের হামদহ কালিকাপুর মোলাপাড়া এই ঘটনা গত মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদেরসাথে এক প্রেস ব্রিফিং প্রকাশ করেন। ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আরও জানান, শিবিরের কেন্দ্রীয় সিন্ধান্ত মোতাবেকতারা ঝিনাইদহের পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে কুপিয়ে ও গলাকেটেহত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এনামূল হক সহ ৭ শিবির কর্মী পরিকল্পনা করেন কিন্ত ৩ জন ঘটনায় সরাসরি অংশ গ্রহণ করে। এর আগে ঝিনাইদহের বেলেখালে সমীর খাজা ও কালীগঞ্জে হোমিৎ চিকিৎসক হাফেজ আব্দুর রাজ্জাককেওশিবিরের কেন্দ্রীয় নির্দেশে হত্যা করা হয়। এই সকল হত্যাকাণ্ডে কোন আই এসসংগঠন জড়িত নেই এবং আই এস বলে কোন সংগঠন নেই তিনি দাবী করেন শুক্রবার, জুন 24, 2016 - 12:18
উন্নতি ধরে রেখে নেটে মুস্তাফিজ
রেডিও ঝিনুক : আইপিএল থেকে দুটি চোট নিয়ে ফিরেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। একটি সমস্যা ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে, অন্যটি অ্যাঙ্কেলের নিচের দিকে। বাঁহাতি পেসারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ৯ জুন থেকে। দুই সপ্তাহ পর আজ প্রথম নেটে বোলিং করলেন মুস্তাফিজ। গত দুই সপ্তাহে মুস্তাফিজের সময় কেটেছে শুধু জিম-রানিংয়ে। ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ান ও ফিজিও বায়েজিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ৬ ওভার বোলিং করেন সকালে। যদিও পুরো ছন্দে নয়, খানিকটা থেমে থেমে বোলিং করেছেন ‘কাটার মাস্টার’। মুস্তাফিজের পুরো ছন্দ ফিরে পেতে আরও একটু সময় লাগবে বলে জানালেন বায়েজিদ, ‘উন্নতি হয়েছে বলেই সে আজ নেটে বোলিং করল। আমরা সপ্তাহের ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণ করছি। আরেকটু সময় লাগব তার। শতাংশের হিসেবে বললে মুস্তাফিজ ৬০ ভাগ সেরে উঠেছে।’  কদিন আগে ভিল্লাভারায়ান জানিয়েছিলেন, মুস্তাফিজের পুরোপুরি সেরে উঠতে সময় লাগবে এক মাস। ৯ জুন থেকে যদি সময়টা শুরু হয়, তবে বাঁহাতি পেসারের ফিট হতে আরও দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। বৃহস্পতিবার, জুন 23, 2016 - 17:17
কালীগঞ্জে আট ইউনিয়নে আ.লীগের ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী বিরোধী প্রার্থীকে মারধর, নির্বাচনী কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
রেডিও ঝিনুক - ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের রয়েছেন পাঁচ বিদ্রোহী প্রার্থী। যাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটযুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। তবে নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা ভোট চাওয়া ও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহীরা। বিদ্রোহী প্রার্থীরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী এলাকায় তাঁদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। কর্মীদের মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি প্রার্থীর কর্মীরা ভোট চাইতে গেলে তাঁদের নানাভাবে নাজেহাল করা হচ্ছে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ। সীমানা নিয়ে জটিলতায় শিমলা-রোকনপুর ও রায়গ্রাম ইউনিয়নের ভোট হচ্ছে না। বাকি নয়টি ইউনিয়নে তৃতীয় দফায় ২৩ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ শেষে চলছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে একটিতে চেয়ারম্যান ও নয়জন সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি আটটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে। চেয়ারম্যান পদে সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন ওহিদুজ্জামান। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য লিয়াকত আলী খান। মালিয়াট ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন আজিজুল ইসলাম খাঁ। এখানে বিদ্রোহী রয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. শাহিনুর রহমান। বারোবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মাত্র দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন নৌকা প্রতীকে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও বিদ্রোহী আনারস প্রতীকে যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. ইমদাদুল হক। কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন ও মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাখালগাছি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম আর মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন। আটটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আছেন পাঁচজন। যাঁরা সবাই দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী লিয়াকত আলী খান অভিযোগ করেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকেরা বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছেন। কর্মীদের নানাভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে জোর করে ভোট করার চেষ্টা চলছে। মালিয়াট ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী শাহিনুর রহমান ওই সব অভিযোগের পাশাপাশি ভোটের দিন কেন্দ্র দখল করার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। বারোবাজার ইউনিয়নের মো. ইমদাদুল হক দাবি করেন, তাঁকে কোনোভাবে মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। ভোট চাওয়ার জন্য নারী কর্মী পাঠিয়েও রক্ষা পাচ্ছেন না। তাঁদেরও তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা তাঁকেও মারধর করেছেন। ১৩ এপ্রিল সন্ত্রাসীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হয়ে চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে এলাকায় এলেও সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভোট চাইতে যেতে পারছেন না। রাখালগাছি ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, ভোটের মাঠ থেকে সরে না দাঁড়ালে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নৌকায় ভোট না দিলে কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। এই অবস্থায় সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কে আছেন। এসব বিষয়ে নৌকা প্রতীকের দুজন প্রার্থী জানান, তাঁরা যে অভিযোগ করছেন, এগুলো সঠিক নয়। সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের ওহিদুজ্জামান দাবি করেন, তিনি নিজেই হুমকিতে রয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, পোস্টার ছেঁড়াকে তিনি সমর্থন করেন না। এটা কারা করেছে, তা তাঁর জানা নেই। রাখালগাছি ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহিদুল ইসলাম বলেন, বিদ্রোহীরা যে অভিযোগ করছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ, এখনো ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তাঁদের পোস্টার ঝুলে আছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে পরাজয় ভেবে তাঁরা এসব কথাবার্তা বলছেন। শুক্রবার, এপ্রিল 22, 2016 - 17:19
ঝিনাইদহের ‘নিখোঁজ’ আরেক কলেজছাত্রের লাশ চুয়াডাঙ্গায় উদ্ধার
রেডিও ঝিনুক : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে ‘নিখোঁজের’ ১০ দিন পর কলেজছাত্র সোহানুর রহমানের (১৬) গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেল চুয়াডাঙ্গায়। এ ঘটনার মাত্র সাত দিন আগে ঝিনাইদহের আরও দুই ‘নিখোঁজ’ কলেজছাত্রের গুলিবিদ্ধ লাশ যশোর থেকে উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ তৃতীয় কলেজছাত্র সোহানুরের লাশ গতকাল বুধবার চুয়াডাঙ্গার খাড়াগোদা গ্রামের মাঠ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে ১০ এপ্রিল কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের ঈশ্বরবা জামতলা নামক স্থান থেকে পুলিশ সদস্য পরিচয়ে চার ব্যক্তি তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলছিল না। সোহানুর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ঈশ্বরবা গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে ও কালীগঞ্জ শহরের শহীদ নূর আলী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের খাড়াগোদা গ্রামের মাঠে গতকাল সকাল সোয়া আটটায় একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখেন কৃষকেরা। ধানখেতের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় লাশটি পড়ে ছিল। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। লাশের পরনে ছিল কালো হাফ হাতা গেঞ্জি ও চেক লুঙ্গি। পায়ে চটি। মাথায় গুলির চিহ্নসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিল নির্যাতনের দাগ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তিতুদহ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রশিদ বলেন, লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, ডান চোখে গুলি করা হয়েছে এবং তা মাথার পেছন দিক দিয়ে বেরিয়ে গেছে। নিহত ব্যক্তির চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, লাশটি সোহানুরের বলে শনাক্ত করেছেন তাঁরা। সোহানুরের বাবা মহসিন আলী বলেন, সোহানুরের মা পারভীনা খাতুন ডাক্তার দেখিয়ে ১০ এপ্রিল ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে সোহানুর গ্রামের পাশে বাসস্ট্যান্ডে মায়ের জন্য অপেক্ষা করছিল। সোহানুরের মা পৌঁছানোর ২০ মিনিট আগে এক ইজিবাইকে চার ব্যক্তি এসে সোহানুরকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বাসস্ট্যান্ডে উপস্থিত অন্যরা বাধা দিলে তাঁরা নিজেদের পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে উঠিয়ে নিয়ে যান। মহসিন আলী আরও বলেন, ওই ঘটনায় তিনি কালীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এ ছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন করে ছেলেকে ফেরত পেতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। কিন্তু জীবিত পেলেন না। কান্নায় ভেঙে পড়ে সোহানুরের বাবা বলেন, তাঁর ছেলে কোনো রাজনীতি করে না। সে খারাপ ছেলে না। এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়ালেখা করছিল। তারপরও কেন তাকে হত্যা করা হলো, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, সোহানুরের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল সাড়ে চারটায় নিজ গ্রাম ঈশ্বরবায় আনা হয়। সন্ধ্যায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরিবার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকার কথা বললেও জামায়াতে ইসলামী এক বিবৃতিতে সোহানুরকে ছাত্রশিবিরের কর্মী হিসেবে দাবি করেছে। বিবৃতিতে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করা হয়। গত এক মাসে কালীগঞ্জ পৌর এলাকা থেকে এ নিয়ে তিন কলেজছাত্রকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে দিনের বেলায় উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কালীগঞ্জ পৌর শাখার সভাপতি আবুজার গিফারী ও সংগঠনটির কর্মী শামীম হোসেনের গুলিবিদ্ধ লাশ ১৩ এপ্রিল যশোরে একটি শ্মশান থেকে পাওয়া যায়। গিফারী যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ও শামীম ঝিনাইদহ সরকারি কে সি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। শুক্রবার, এপ্রিল 22, 2016 - 17:14
নতুন পোশাক নিয়ে ঝগড়া, স্কুলপড়ুয়া মেয়ের আত্মহত্যা
রেডিও ঝিনুক : নববর্ষে নতুন পোশাক চেয়েছিল আফরোজা খাতুন (১৫)। বাবা কিনে দিতে পারেননি। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়ান মা। এতে কষ্ট পায় আফরোজা। ঝগড়া থামাতে অনুরোধ করে সে। তারপরও ঝগড়া না থামায় আত্মহত্যা করে সে। গতকাল রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গার কুতুবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আফরোজা খাতুন ওই গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের মেয়ে। সে ঝিনাইদহের গোবিন্দপুর গ্রামে নানার বাড়ি থাকত। সে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। আফরোজা খাতুনের চাচা আরিফ হোসেন বলেন, অভাবের সংসার তোফাজ্জেল হোসেনের। আফরোজা খাতুন নামের এক মেয়ে আর তানজিল হোসেন ও তসলিম হোসেন নামের দুই ছেলে রয়েছে তাঁর। স্ত্রী তিন সন্তান নিয়ে মাটির একটি ঘরে বাস করেন তোফাজ্জেল। সংসার চলে কামলা দিয়ে। আরিফ হোসেন জানান, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আফরোজা খাতুন বাবার বাড়ি বেড়াতে যায়। সেখানে বাবার কাছে বৈশাখী পোশাক চায়। পোশাক না কিনে দেওয়ায় মেয়েটি মন খারাপ করে। গতকাল সকালে তার মা পারভিনা খাতুন বিষয়টি নিয়ে তোফাজ্জেল হোসেনের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আফরোজা তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। এতে কাজ না হলে ঝগড়ার জন্য নিজেকে দায়ী ভেবে সবার চোখের আড়ালে গিয়ে সে কীটনাশক পান করে। বিষয়টি বাবা-মা বুঝতে পেরে দ্রুত স্থানীয় বদরগঞ্জ বাজারে পল্লি চিকিৎসক শাহজাহানের কাছে নিয়ে যান। ওই চিকিৎসক জানিয়ে দেন আফরোজা মারা গেছে। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গার কুতুবপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) আক্রাম হোসেন বলেন, মেয়েটির পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের জন্য প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। সেখানকার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে। সোমবার, এপ্রিল 18, 2016 - 15:10
৩৫৭ একর জমির গম পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে
রেডিও ঝিনুক : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দত্তনগর কৃষি ফার্মে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত ৩৫৭ একর জমির গম পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে ফার্মের বীজ গমের জমিতে এ আগুন দেওয়া হয়। দত্তনগর বিএডিসি ফার্ম সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দত্তনগর  পাঁচটি ফার্মের অধীনে ৩৫৭ একর জমিতে গম চাষ করা হয়েছিল। এসব গম ভাইরাস রোগে (ব্লাস্ট রোগে) আক্রান্ত হলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৌধুরী রওশন ইসলামের উপস্থিতিতে সকাল থেকে গম খেত পোড়ানো শুরু হয়। দত্তনগর ফার্মের যুগ্ম পরিচালক জামেলুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ৩১ বছর আগে এ রোগ একবার বাংলাদেশে দেখা গিয়েছিল। এ বছর হঠাৎ করে রোগ দেখা দেওয়ায় তাদের গম খেতগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারের সিদ্ধান্তে গমক্ষেতগুলি পোড়ানো হলো। এতে সরকারের ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ গম বীজের জন্য সংরক্ষণ করলে চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হতো। গম পোড়ানোর সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের জিএম এবং এজিএম উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার, মার্চ 25, 2016 - 17:05
শৈলকুপায় থানা হাজতে এক হাজতির রহস্যজনক মৃত্যু
রেডিও ঝিনুক : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় থানা হাজতে শরিফুল ইসলাম ওরফে কাজল মন্ডল (৩৫) নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে নাকি তিনি আসলেই আত্মহত্যা করেছেন তা নিয়ে নানা সন্দেহ ঘুরপাক খাচ্ছে। নিহত কাজল মন্ডল কুষ্টিয়ার ইবি থানার হাসানবাগ রাজাপুর গ্রামের জুলহক মন্ডলের ছেলে বলে শৈলকুপা থানা থেকে নিশ্চিত করা হয়।শৈলকুপা থানা থেকে মোমিনুল পরিচয়দানকারী পুলিশের এস আই কামাল জানান, তিনি গলায় রশি দিয়ে আহত্মহত্যা করেছেন। তবে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, কাজল মন্ডল অন্য একটি বাড়িতে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। কার বাড়িতে এবং কেন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে তা ওসি জানাতে পারেনি। অন্যদিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানার এ এস আই আজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কাজল মন্ডলকে আমিই গাজাসহ শৈলকুপার ভাটই বাজার থেকে আটক করে থানা হাজতে রাখি। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাজত খানার বাথরুমে গলায় রশি দিয়ে কাজল মন্ডল আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। তার লাশ যখন মর্গে, তখনও সুস্থ এবং বেঁচে থকার নিশ্চয়তা দেন এএসআই আজাদ। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ফাহমিদা হক সাংবাদিক কে জানান, আজ বেলা ১১টার দিকে শৈলকুপা থানার পুলিশ গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী কাজল মন্ডল নামে এক আসামিকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে। এ সময় কাজল মন্ডল খুবই মুমূর্ষু ছিলেন। তাকে দ্রুত ৩৫৪২/১৮ নং ইমারজেন্সি ভর্তি রেজিষ্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু রোগীর হার্টবিট কম থাকায় তাকে দ্রুত আবার পুলিশের গাড়িতেই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরি বিভাগের রেজিষ্টারে হ্যাংগিং রোগীর কথা উল্লেখ আছে। এদিকে দুপুর ১২টার দিকে কাজল মন্ডলকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শামরিন আহম্মেদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাঃ শামরিন আহম্মেদ সাংবাদিক কে, অনেক আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরো জানান, লাশের শরীরে আত্মহত্যার কোন চিহ্ন বা আলামত নেই। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। তিনি জানান, এমনও হতে পারে কোন আঘাতে আভ্যন্তরীন ক্ষত সৃষ্টির কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে কাজল মন্ডলের আত্মহত্যার গল্প, স্থান ও মৃত্যুর সময় নিয়ে ওসি মহিবুল এবং এএসআই আজাদের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকের ধারণা নির্যাতনে থানা হাজতেই কাজল মন্ডলের মৃত্যু হয়। বিষয়টি পুলিশ ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজহাবার আলী শেখ জানান, আমি একটি জরুরি মিটিংয়ে আছি। থানা হাজতে গলায় রশি দিয়ে মৃত্যুর কোন তথ্য আমার জানা নেই। নিহত কাজলের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার ইবি থানার রাজাপুরে। যোগাযোগ করে জানা গেছে, তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তার বাবা জুলহক মন্ডল ছেলের কোন খোঁজ খবর রাখতেন না। ছোটখাট চুরির সঙ্গে কাজলের সম্পৃক্ততারকথা গ্রামবাসি জানান।তবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানায় কাজলের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। শনিবার, মার্চ 12, 2016 - 14:21
ঝিনাইদহে অপহৃত শিশুর লাশ মিলল মাগুরার গম ক্ষেতে
রেডিও ঝিুনুক : ঝিনাইদহ শহর থেকে অপহৃত এক শিশুর লাশ মাগুরার শালিখা উপজেলায় একটি গম ক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের গজনগর গ্রামের একটি গম ক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আঁখি খাতুন (১১) ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হাসানকাঠি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের মেয়ে। শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল ইসলাম খান জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে গজনগর গ্রামের একটি গম ক্ষেত থেকে আঁখির লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, ছবি তোলার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে চাচা মনিরুল ইসলামের সঙ্গে ঝিনাইদহ শহরের একটি স্টুডিওতে যায় আঁখি। সেখান থেকে কৌশলে চাচার পরিচিত যশোরের চুড়ামনকাঠির জুয়েল নামে এক যুবক তাকে অপহরণ করে। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর আঁখিকে না পেয়ে তার পরিবার বিকেলে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। ওসি জানান, এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে তার পরিবারের কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে অপহরণকারীরা। পরে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ঝিনাইদহ থানা পুলিশ নড়াইল-মাগুরা জেলার সীমান্ত এলাকা শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর এলাকায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে ওই এলাকার একটি গম ক্ষেতে এক মেয়ের লাশ পড়ে আছে- স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি উল্লখে করে ওসি আরো জানান, এ ব্যাপারে ঘটনা সূত্রপাত স্থল ঝিনাইদহ সদর থানায় নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  শুক্রবার, মার্চ 11, 2016 - 21:14
‘মিথ্যা মামলা’ করতে এসে চেয়ারম্যানসহ আটক ২০
রেডিও ঝিনুক : থানায় এসে মিথ্যা অভিযোগ করার অভিযোগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলামসহ ২০ জনকে গত শনিবার রাতে পুলিশ আটক করেছে। তাঁদের তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রোববার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন রবিউল ইসলাম (৪২), ইমরান হোসেন (৩২), বজলুর রহমান (৫০), আতাউর রহমান (৩০), হেলাল উদ্দিন (৫০), আনোয়ার হোসেন (৫০), রাশেদুল ইসলাম (৩০), সাদ্দাম হোসেন (২২), কুদ্দুস মল্লিক (২৫), নূর আলী (৪০), নায়েব আলী (৪২), আজিজুর রহমান (২৫), আজিবর রহমান (৫২), মোলামদি হোসেন (৩০), ওহিদুজ্জামান (৩২), মামুন হোসেন (৫০), আবদুল ওহাব (৩৬), আলম হোসেন (৩৬), আসাদুজ্জামান খাঁ (৪০) ও জিয়াউর রহমান (৪৫)। তাঁরা নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, সম্প্রতি নলডাঙ্গা ইউনিয়নে হামলা ও ভাঙচুরসহ নানা ঘটনা ঘটেছে। একটি মহল ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। গত শুক্রবার ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান বিশ্বাসের ছেলে নজরুল ইসলামকে একদল সন্ত্রাসী ধরে নিয়ে গলা কেটে খুন করার চেষ্টা করে। টের পেয়ে এলাকার লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে। ওসি হাসান হাফিজুর রহমান আরও জানান, শনিবার রাত নয়টার দিকে বেশ কিছু লোক নিয়ে নলডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগের জেলা কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম থানায় আসেন। তিনি যাত্রাপুর গ্রামের সেই নজরুল ইসলামসহ আরও কিছু ব্যক্তির নামে মামলা করতে চান। এ সময় মিথ্যা অভিযোগ করার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিউল ইসলাম ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে হাঙ্গামা, মারপিট, ভাঙচুর ও শান্তিশৃঙ্খলা নষ্টসহ নানা অভিযোগে খেড়াশুনি গ্রামের আবুল হোসেন ও শিমুল হোসেন এবং যাত্রাপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম তিনটি মামলা করেন। রাতেই তাঁদের এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। থানায় আটক থাকাকালে রবিউল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। এলাকায় নানা হাঙ্গামার ঘটনা ঘটছে। সেসব বিষয়ে পুলিশকে জানাতে এবং তা মীমাংসা করা যায় কি না সে পরামর্শ করতে থানায় এসেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁকেসহ অন্যদের আটক করে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। মঙ্গলবার, মার্চ 8, 2016 - 12:30